আমাদের পার্টনারদের বিষয়ে

অনুদীপ ফাউন্ডেশন

অনুদীপ ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক সংস্থা যা উন্নয়নশীল অর্থনীতিকে ডিজিটা্লাইজেশনের মাধ্যমে তরুণদের টেকসই ভবিষ্যত গড়া এবং ক্ষমতায়নে সাহায্য করে। ২০০৭ সালে এই ফাউন্ডেশনটির যাত্রা আরম্ভ হয়। ৯৭টি দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বর্তমানে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি প্রদেশে চলমান আছে।

ফাউন্ডেশনটির সুবিধাভোগীরা হলো পিছিয়ে পরা ও অভাবগ্রস্ত তরুণ এবং নারী যারা জাতিগতভাবে ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু সমাজের, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য এবং রাজনৈতিক শরণার্থী, প্রতিবন্ধী কিংবা পাচারকৃত সংক্ষুব্ধ। বিশেষ পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন ধাপে যুগোপোযোগী নানা ধরণের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, যা কিনা পরবরতীতে চাকরির ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকারী হয়। আজ পর্যন্ত আইমেরিটস-এ অনুদীপের ১০০০+ প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী নিযুক্ত হয়েছেন।

অনুদীপ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বহুমুখীভাবে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।

কোডারসট্রাস্ট বাংলাদেশ

বাংলাদেশি-আমেরিকান আজিজ আহমেদ একটি দূরদর্শী প্রকল্প গ্রহন করেন এবং কোডারসট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। সংস্থাটির লক্ষ্য সবার মাঝে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োগযোগ্য শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বিকাশের প্ল্যাটফর্ম তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করে তোলা। বর্তমানে সংস্থাটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশ জুড়ে আটটি ভিন্ন দেশে কাজ করছে। সহ-প্রতিষ্ঠাতা ড্যানিশ মিলিটারি ক্যাপ্টেন ফার্দিনান্দ কেয়ারওল্ফ এবং স্যার রিচার্ড ব্র্যানসন এবং মার্টিন লুন্ডের উপস্থিতিতে ২০১৩ সালে ডেনমার্ক থেকে কোডারসট্রাস্টের কার্যক্রম শুরু করা হয়। কোডার্স ট্রাস্টের সদর দপ্তর ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অবস্থিত।

সংস্থাটির বর্তমানে ৪ টি দেশে অফিস রয়েছে (ডেনমার্ক, বাংলাদেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কসোভো) এবং এটি ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে ১১ টি বিভিন্ন দেশে প্রকল্প পরিচালনা করেছে (ভারত, মালয়েশিয়া, ভুটান, কসোভো, বাংলাদেশ, ইরাক, পোল্যান্ড, প্যালেস্টাইন, হন্ডুরাস, কেনিয়া এবং জর্ডান)।

কোডারসট্রাস্টের বনানী, ধানমন্ডি, মৌচাক এবং মিরপুরে অবস্থিত চারটি ক্যাম্পাসে নয় ধরণের কোর্স করার সুযোগ দিয়ে থাকে। এছাড়াও, দেশের যে-কোনো জায়গা থেকে তাদের লাইভ অনলাইন কোর্সে যোগ দেওয়ার সুবিধা আছে। কোডারসট্রাস্ট বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেছিল ২০১৫ সালে, এখন পর্যন্ত ৭,০০০ এর বেশি শিক্ষার্থী তাদের সেবা নিয়েছে এবং বর্তমানে তারা আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে নিশ্চিন্তে বাড়িতে বসেই উপার্জন করতে সক্ষম।